প্রাতিষ্ঠানিক কাস্টিং স্টুডিও হিসেবে গড়ে তুলতে চান সিয়াম।

দেলোয়ার উদ্দিনঃ বলছিলাম গ্লিটার্স কাস্টিং স্টুডিওর কর্ণধার সিয়াম সাবের রাহাতের কথা।যিনি ২০১২ ইং সালের দিকে অনেকটা শখের বসেই একটি ক্যামেরা ক্রয় করেছিলেন।যার নেশা ছিল শুধুই সুন্দর ছবি উঠানো। অনেকটা শখের বসে কিছুদিন বিভিন্ন ধরনের ফটোগ্রাফিও করেন।

 

 

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ফটোগ্রাফি করার সময় নিজের ভেতর একটা শখ জেগে উঠেছিল, সেটি হচ্ছে নিজেকে অন্যদের মতো স্ক্রিনে দেখা মানে অভিনয় করা। মিডিয়া ইন্ড্রাস্টিতে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চাইলাম কিন্ত দুঃখের বিষয় একটা সময় কিছু মানুষের দ্বারা নানা ভাবে প্রতারিত হতে থাকলাম।

 

একটা সময় নিজের জাগ্রত স্বপ্ন থেকে নিজেকে সরিয়ে নিতে বাধ্য হলাম। হতাশ না হয়ে স্থির হয়ে মনকে বুঝালাম,আমি যতটুকু প্রতারিত হবার হয়েছি। আর নয়! তখন আমি নিজেই কাস্টিং এসিস্ট্যান্ট (ACD) হিসেবে কাজ করা শুরু করলাম আর নিজেকে মনে মনে শান্তনা দিয়ে নিজের প্রতি নিজেই কমিটমেন্ট করলাম,আমার মতো আর কেউ যেন অন্তত আমার দ্বারা প্রতারিত না হয়।

 

এর মাঝে কিছুদিন পারিবারিক ভাবে একটু ব্যস্ততা বৃদ্ধি হয়ে যাওয়ায় কাষ্টিং থেকে দূরে ছিলাম। খুব কম সময়েই দেশের স্বনামধন্য কোম্পানির বিভিন্ন বিজ্ঞাপনে বেশ কিছু গুণী ও প্রতিভাবান আর্টিষ্ট কাস্টিং করে অবদান রাখার চেষ্টা করেছি।তবে আমার সৌভাগ্য যে এত বছরের দীর্ঘ যাত্রায় আমি সান্নিধ্য পেয়েছি বিজ্ঞাপন ইন্ডাস্ট্রির অনুকরণীয় কিছু নির্মাতার।

 

 

আমি আশা করছি ভবিষ্যতে গ্লিটার্স কাস্টিং স্টুডিও হবে নতুন-পুরাতন আর্টিষ্টদের ভরসার আশ্রয়স্থল।যেখান থেকে নতুনরা তাদের ভবিষ্যত স্বপ্ন বুনবে ও কাজের যথাযথ মূল্যায়ন পেয়ে বিনোদন ও বিজ্ঞাপন জগতে নিজেদের সৃষ্টিশীলতায় অবদান রেখে নিজেকে করবে প্রতিষ্ঠিত। আমাদের কাস্টিং স্টুডিওর জন্য দোয়া করবেন। আপনাদের জন্য অনেক শুভ কামনা। আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ।