বাবা’র পঙ্খিরাজে নিলয় ও নাদিয়া পালালেন

দেলোয়ার উদ্দিনঃ জ্বি হ্যাঁ এটা কোনো মিথ্যা ঘটনা না।এটি হলো একটি নাটকের গল্প। এইতো কিছুদিন আগে নাটকটির শ্যুটিং শেষ হয়েছে। গল্পটি খুব কম সময়ের মধ্যে দর্শকের নজর কেরেছে

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

অভিনয় শিল্পী হিসেবে প্রধান ভুমিকায় অভিনয় করেছেন – জনপ্রিয় নিলয় আলমগীর, সালহা খানম নাদিয়া ও হাড় কিপ্টে খ্যাত প্রবীণ জনপ্রিয় অভিনেতা আমিরুল ইসলাম এছাড়া আরো অভিনয় করেছেন ইলমা চৌধুরী,সাবিনা রনি,দেলোয়ার উদ্দিন,শফিকুল হক,মহসিন মিয়া,ফারদিন মুস্তাফিজ,সালাম খান সহ আরো অনেকেই।

 

গল্পটি লিখেছেন ও পরিচালনা করেছেন তরুন প্রতিভাবান নির্মাতা রাফসান সানী। নাটকটি লেজার ভিশন প্রোডাকশনের ব্যানারে নির্মিত হয়েছে। ঢাকার উত্তরায় টানা ৩দিন বিভিন্ন মনোরম লোকেশনে শ্যুটিং শেষ হয়েছে। নাটকের গল্পটা ছিল চমৎকার, বাবার পুরনো একটি মোটর বাইক, পারিবারিক নানা টানা পুরন ও বাবার একমাত্র চাকরি বিহীন বেকার সহজ সরল ছেলেকে ঘিরে গল্পটি তৈরি করেছেনে রাফসান সানী।

নাটকের এক পর্যায়ে দেখা যায় সহজ সরল ছেলের সরলতার মায়ায় আচ্ছন্ন হয়ে বড়লোক বাবার একমাত্র মেয়ে মধ্যবিত্ত পরিবারের বেকার ছেলের হাত ধরে পালিয়ে যায়! যারা নাটকটি একবার দেখেছে তারাই নাটকটির সিক্যুয়েল কবে আসবে জানতে চায়!আরো জানতে চায় পালিয়ে যাওয়া নব দম্পতি কেমন আছে!

এত গল্প থাকতে গতানুগতিক গল্পের বাহিরে হঠাৎ এই ধরনের গল্পের চিন্তা আসলে কেন এক প্রশ্নের জবাবে রাফসান সানী বলেন এখন সোস্যাল মিডিয়াতে মানুষের রুচির পরিবর্তন হয়েছে, মানুষ ব্যতিক্রম কিছু দেখতে চায়, তাই সেই ভাবনা থেকে এই গল্পটি সবার সামনে নিয়ে আসা,তাছাড়া আজ-কাল প্রায় পরিবারেই বায়োবৃদ্ধ বাবার পছন্দ অপছন্দকে মুল্যায়ন দিতে চায়না গুরুত্বহীন মনে করে একাকিত্বের দিকে টেলে দেয়।বাবা ও ছেলের দারুণ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপন করে নাটকের মাধ্যমে সমাজে একটা ম্যাসেজ দেওয়ার চেষ্টা করেছি।

তাছাড়া রাফসান সানী বলেন জনপ্রিয় অভিনেতা ও অভিনেত্রী নিলয় আলমগীর ও সালহা খানম নাদিয়া নাটকটি নির্মানে দারুণ সহযোগিতা করেছেন এবং তারা নাটকটি নিয়ে দারুন আশাবাদী। চমৎকার এই জুটিকে নিয়ে ভবিষ্যতে আরো সুন্দর সুন্দর গল্প নিয়ে নাটক নির্মান করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। পরিচালক সহ পুরো টিম সবাইকে ব্যতিক্রম এই নাটকটি দেখার জন্য আহবান করেন।