মনোহরদীতে স্কুল শিক্ষার্থীদের টিকাদানে অব্যবস্থাপনা অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ।

Spread the love

মোঃ ফারদিন হাসান দিপ্ত: নরসিংদীর মনোহরদীতে স্কুল শিক্ষাথীর্দের জন্য সরকারের টিকাদান কর্মসূচিতে ব্যাপক অব্যবস্থাপনা দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা সকাল থেকে টিকার জন্য মনোহরদী উপজেলা পরিষদ আসলে ও লম্বা লাইন আর টিকা কেন্দ্রের অব্যবস্থাপনার কারণে টিকা নিতে পারছে না।

স্বাস্থবিধি মেনে টিকাদান কর্মসূচী পালন করার কথা থাকলেও বিপুল পরিমাণ শিক্ষার্থীদের মাস্ক না পড়া ও সামাজিক দূরত্ব না মেনে টিকা কেন্দ্রে অবস্থান করতে লক্ষ্য করা গেছে। অনেক শিক্ষার্থী আবার কেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা ও দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাড়িঁয়ে বিরক্ত হয়ে টিকা না নিয়েই ফিরে যায়। স্বাস্থ্য বিধি না মানার কারণে শিক্ষার্থীরা করোনা সংক্রমনের ঝুকিঁর মখে পড়ছে। এতে সরকারের শিক্ষার্থীদের টিকার যে উদ্দেশ্য তা ব্যহত হবে মনে করছে বিশেষজ্ঞরা।

উপজেলা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, মনোহরদী উপজেলাতে গত ৮ জানুয়ারি শনিবার ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের করোনা ভাইরাসের থেকে সুরক্ষায় উপজেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের উদ্যোগে ফাইজার টিকাদান কর্মসূচী শুরু হয় ।

স্বাস্থ্য সুরক্ষার অংশ হিসেবে উপজেলার মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের ২১ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে ফাইজার টিকা প্রদান করা হচ্ছে। কিন্তু লম্বা লাইন আর টিকা কেন্দ্রের অব্যবস্থাপনার কারণে শিক্ষার্থীরা টিকা নিতে এসে ভোগান্তিতে পড়ছে। স্বাস্থবিধি মেনে টিকাদান কর্মসূচী পালন করার কথা থাকলেও বিপুল পরিমাণ শিক্ষার্থীদের মাস্ক না পড়া ও সামাজিক দূরত্ব না মেনে টিকা কেন্দ্রে অবস্থান করতে লক্ষ্য করা গেছে। শিক্ষার্থী কেন্দ্রে দীর্ঘক্ষণ অবস্থান করার কারণে তারা দ্রæত টিকা নেয়ার জন্য বিশৃঙ্খলা করছে।

কেন্দ্রে উপস্থিত স্কাউট ও আইনশৃঙ্খলার সদস্যরা ও তা নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছে। আর শিক্ষার্থীদের দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাড়িঁয়ে বিরক্ত হয়ে টিকা না নিয়েই ফিরতে দেখা গেছে। স্বাস্থ্য বিধি না মানার কারণে শিক্ষার্থীরা করোনা সংক্রমনের ঝুকিঁর মখে পড়ছে।

ইতিমধ্যে মনোহরদীতে প্রায় ১৩ হাজার শিক্ষার্থীদের করোনার টিকা প্রদান করা হয়েছে। আজকে ও প্রায় ৪ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থীকে টিকা প্রদান করা হবে।

মনোহরদী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শহিদুর রহমান বলেন, টিকা নেয়ার জন্য বিপুল পরিমাণ শিক্ষার্থীরা ভীড় করেছে। আমরা স্কুল গুলোকে নির্দিষ্ট সংখ্যক শিক্ষার্থীদের ভাগে ভাগে বিভক্ত করে নিয়ে আসতে বলেছিলাম। তারা এটা না মানায় শিক্ষার্থীর ভীড় হয়ে গেছে। আর শিক্ষার্থীদের মধ্যে ধাক্কা ধাক্কির কারণে কিছুটা বিশৃঙ্খলা হলেও পরে তা ঠিক হয়ে যায়। সবাইকে মাস্ক ও স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সবাই উৎসাহ উদ্দীপনা নিয়েই টিকা নিচ্ছে।