কুমিল্লায় দেশের প্রথম পরিবেশ স্কুল উদ্বোধন 

Spread the love
হালিম সৈকত,  কুমিল্লা: ‘আমার দেশ আমার পরিবেশ-গড়বো সুস্থ সুন্দর বাংলাদেশ’ শ্লোগানে
বৃহস্পতিবার বিকেলে  কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার ইলিয়টগঞ্জ দক্ষিণ ইউনিয়নের আদমপুর গ্রামের পরিবেশ বান্ধব প্রযুক্তি উদ্ভাবন ব্যবহার ও সম্প্রসারণের জন্য  দুই বার বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পদক প্রাপ্ত, পরিবেশ সংরক্ষণ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণে ছয় বার সরকারিভাবে চট্টগ্রাম বিভাগে শীর্ষ স্থান অর্জনকারী মতিন সৈকত তার নিজ বাড়িতে পরিবেশ, জলবায়ু, কৃষি, নদী, সেচ, জীব- বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক দেশের প্রথম জনসচেতনতা এবং গবেষণামূলক প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পরিবেশ স্কুল’ প্রতিষ্ঠা করেন। বাংলাদেশ পরিবেশ স্কুল উদ্বোধন উপলক্ষে  ‘পরিবেশ সংরক্ষণ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণে সমস্যা চিহ্নিত করণ এবং উত্তরণে করণীয় বিষয়ক আলোচনা সভা  অনুষ্ঠিত হয়। সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ পরিবেশ স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা মতিন সৈকত। তিনি বলেন ‘ তিন দশকের বেশি সময় ধরে কৃষি, পরিবেশ সংরক্ষণ,  নিরাপদ খাদ্য আন্দোলন, খাল-নদী- পূনঃখনন, পরিবেশ- জীব বৈচিত্র্য-জলাশয়-বন্যপ্রাণী  সংরক্ষণ, পাখি উদ্ধার এবং অবমুক্ত করণ, নাগরিক বর্জ্য থেকে নাগরিক সার রুপান্তর, সবুজায়ন আন্দোলন, সামাজিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রম ব্যাপক জনসচেতনতা ও জনসম্পৃক্ততা করে চলছি। দেশব্যাপী পরিবেশ  সংরক্ষণ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণ আন্দোলনের  ধারাবাহিকতায় আজকে দেশের প্রথম বাংলাদেশ পরিবেশ স্কুল উদ্বোধন করি’।
প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন  পরিবেশ অধিদপ্তর কুমিল্লার  উপ-পরিচালক  শওকত আরা কলি। বিশেষ অতিথি ছিলেন সেন্টার ফর কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট এসিস্ট্যান্টেন্স সিসিডিএ’র নির্বাহী পরিচালক বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ সামাদ। বক্তব্য রাখেন  পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিদর্শক  ফখর উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী সোহেল সহ বিভিন্ন কর্মকর্তা। উপস্থিত ছিলেন এস এম নাজমুল হুদা, কৃষিবিদ মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ লেমন মিয়া, এসইপি প্রকল্পের  পরিবেশ কর্মকর্তা মোঃ হাসিব ইকবাল কানন, ডকুমেন্টেশন কর্মকর্তা মোঃ নুরুন্নবী রাসেল,  ব্যবস্থাপক মোঃ মাসুদ আলম, আদমপুর আদর্শ কমপ্লেক্সের সহ-সভাপতি মোঃ জহিরুল হক মেম্বার , বীরমুক্তিযোদ্ধা তৌহিদুল ইসলাম মোল্লা, আকতার হোসেন মেম্বার, মোঃ শাহজাহান, মোঃ আবদুল জলিল, মোহাম্মদ আলী, ইন্জিনিয়ার ফায়সাল সাকির প্রমুখ। পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক এবং পরিদর্শকসহ অনান্য কর্মকর্তারা পরিবেশ যোদ্ধা মতিন সৈকতের কালাডুমুর নদী পূনঃখনন কার্যক্রম, সবুজায়ন আন্দোলন, প্লাবন ভূমিতে পরিবেশ সম্মত  মৎস্য চাষ,  পাখি-বন্যপ্রাণী উদ্ধার কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করে সন্তোষ প্রকাশ করেন।