বিয়ের ৬ মাস পরেই সন্তানের জন্ম! শাশুড়ি বউমাকে ঘরছাড়া করলে জানা গেল আসল রহস্য

Spread the love

অনলাইন ডেস্ক: গোয়ালিয়র কুটুম্ব আদালতের কাছে এসেছে একটি বিচিত্র মামলা। অশোকনগরের এক মহিলা বিয়ের ৬ মাস পরেই এক বাচ্চার জন্ম দিয়েছেন। ৬ মাসের মধ্যেই বাচ্চার জন্ম দেওয়ার জন্য সেই মহিলার শ্বশুরবাড়ি থেকে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। একই সঙ্গে সমাজ থেকেও বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন ওঠায়, শ্বশুর ও শাশুড়ি সেই সন্তানকে অন্যের বাচ্চা বলে সেই মহিলাকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছেন। এই ঘটনাটি ঘটেছে ১ বছর আগে। এই মামলায় কুটুম্ব আদালতের মিডিয়েশন সেল শ্বশুর ও শাশুড়ির অনলাইন কাউন্সেলিং করে একটি পরিবারকে ভাঙার থেকে রক্ষা করেছে

গোয়ালিয়রের কুটুম্ব আদালতের কাউন্সিলর হরিশ দিওয়ান জানিয়েছেন যে, সোশ্যাল মিডিয়ায় মিডিয়েশন সেলের নম্বর দেখে অশোকনগরের ২৫ বছরের এক যুবতী তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। সেই যুবতী তাঁকে জানান, ২০২০ সালের ৩০ মে তিনি গুনার এক যুবকের সঙ্গে প্রেম বিবাহ সম্পন্ন করেন। বিয়ের ৬ মাস পরে ১০ ডিসেম্বর তিনি একটি বাচ্চার জন্ম দেন। বিয়ের ৬ মাস পরেই বাচ্চা হওয়ার জন্য শ্বশুরবাড়ির লোকজন ঝামেলা শুরু করে দেন। সেই মহিলা তাঁদের জানায় যে তাঁর স্বামী পুরো বিষয়টি জানেন। কিন্তু তাঁরা কোনও কথা না শুনে তাঁকে বাপের বাড়ি পাঠিয়ে দেন।

এই ঘটনা জানার পর কাউন্সেলিং টিম গুনাতে থাকা সেই মহিলার স্বামীর সঙ্গে কথা বলে। প্রথমে সেই ব্যক্তি জানান যে সেই বাচ্চাটি তাঁর নয়। এর পর কাউন্সেলিং টিম তাঁকে জানায় যে তিনি বাড়ির লোকের সামনে বিয়ে করলেও, অনেক আগেই যে তিনি সেই মহিলাকে মন্দিরে বিয়ে করেছিলেন এবং তাঁর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেছিলেন, সে কথা প্রকাশ্যে আনা হবে। এর পর সেই টিম তাঁকে জানায় যে যদি সেই বাচ্চার ডিএনএ টেস্টের রিপোর্ট তাঁর সঙ্গে মিলে যায় এবং তিনি তাঁর স্ত্রীকে গ্রহণ করতে অস্বীকার করেন তাহলে তাঁর জেল হবে। এর পর সেই মহিলার স্বামী স্বীকার করেন যে সেই বাচ্চাটি তাঁর, তিনি তাঁর পরিবার ও সমাজের ভয়ে কিছু বলতে পারেননি।

র পর সেই কাউন্সেলিং টিমের কথা অনুযায়ী সেই মহিলা শ্বশুরবাড়ির সকলের সামনে সব কথা খুলে বলেন। এর পর শ্বশুরবাড়ির লোকেরা নিজের ভুল বুঝতে পারে। সেই মহিলার শাশুড়ি নিজের ভুল বুঝতে পারেন। অনলাইন কথাবার্তার মাধ্যমে সবকিছু পরিষ্কার হয়ে যায়। এর পরেই সেই মহিলার শাশুড়ি নিজে অশোকনগরে এসে তাঁর বউমা এবং নাতিকে নিজের বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে যান।

 

পথিকটিভি/চৈতী