নবীনগর দুই পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে ৩ পুলিশসহ আহত ৮

Spread the love

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর থানা গেটের সামনে আজ শনিবার সকালে পূর্ব বিরোধের জের ধরে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে ৩ পুলিশসহ 8 জন আহত হয়েছেন।

জানা যায় নবীনগর পশ্চিম ইউনিয়নের লাপাং, নবীপুর ও পৌরসভার আলমনগর গ্রামের যুবকদের মধ্যে গত কয়েক মাস যাবত বিরোধ চলে আসছিল।

এরই জের ধরে শাওন নামে এক যুবককে শ্রীরামপুর এলাকায় সিএনজি থেকে নামিয়ে মারধর করার সংবাদ পায় তার মামা কাউসার মিয়া। থানায় কাউছার সামাজিক একটি সালিশী সভা থেকে খবর পেয়ে বেরিয়ে আসার পথে থানা গেইটে আলমনগর গ্রামের রাজিব ও রবিনের সাথে কাউছারের সংঘর্ষ বাধে।

ওই সময় তিন পুলিশসহ ৮ জন গুরুতর আহত হন। আহতদের কে চিকিৎসার জন্য হাস্পাতালে নেয়া হলে দ্বিতীয় দফায় সংঘর্ষে লিপ্ত হয় । আহতরা হলেন শাওন মিয়া (৩০), কাউছার মিয়া (৪৫), ছুবুর মিয়া(৩০),পাবেল মিয়া (৩৪)

এস আই আব্দুল আজিজ, এস এস আই আব্দুল্লাহ আল মামুন, এস আই আসরাফুল ইসলাম।

নবীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ আমিনুর রশিদ বলেন, আজ শনিবার সকালে পূর্ব বিরোধের জের ধরে একটি সামাজিক সালিশি সভায় কাউসার থানায় আসে। এসময় হঠাৎ করে তার মোবাইলে একটি ফোন আসে, তার ভাগিনা কে কে বা কারা সিএনজি থেকে নামিয়ে মারধর করছে। তাৎক্ষণিক কাউসার থানা থেকে বের হতে গেলে দুই পক্ষের সংঘর্ষ বাধে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়। পরে নবীনগর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হলে দ্বিতীয় দফায় আবারও তারা সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। সংঘর্ষের ঘটনায় চারজনকে আটক করা হয়েছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে।

হাতের কাছে বান্ধবী থাকলেও কনডম নেই! কি আর করা, আঠা দিয়েই গোপনাঙ্গের মুখ বন্ধ করলেন! আর তাতেই মিলনের মুহূর্তে অঘটন ঘটিয়ে মৃত্যু হয় যুবকের। প্রাথমিক তদন্তে এমনটাই বলছে পুলিশ।

গত ২৫ আগস্ট এমন ঘটনা ঘটেছে ভারতের গুজরাটের আহমেদাবাদে। সালমান মির্জা নামের ওই যুবকের বয়স ২৫ বছর।

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, সালমান তার বান্ধবীর সঙ্গে একটি হোটেলে যান। তাদের দু’জনেরই নানা ধরনের মাদকে আসক্তির কথা জানা গিয়েছে। হোটেলে পৌঁছে তারা মাদক নেয়া শুরু করেন। সেই সময়ে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতে যান তারা।

যখনই শারীরিক সম্পর্কে মিলিত হবেন, তখনই বুঝতে পারেন তাদের কাছে কোনো নিরোধক বা কনডম নেই। তখনই সালমান আঠা দিয়ে নিজের গোপনাঙ্গের মুখ বন্ধ করে নেন। আঠা ব্যবহার করে তারা মিলনে লিপ্ত হন। এর পরেই সালমান অসুস্থ হয়ে পড়েন।

পুলিশের সন্দেহ, নেশার প্রয়োজনেই সালমান এই আঠা ব্যবহার করতেন। এই কড়া আঠা ব্যবহারের পর দিন তাকে রাস্তার পাশে অসুস্থ অবস্থায় দেখেন এক স্থানীয় ব্যক্তি। প্রথমে তিনি সালমানকে নিজের বাড়িতে নিয়ে যান। ক্রমশ তার অবস্থার অবনতি হতে থাকে। তখন তাকে স্থানীয় এক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে, সেখানেই মারা যান সালমান।

পরে সালমানের এক আত্মীয়ার অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্ত থেকে পুলিশের অনুমান, গোপনাঙ্গের মুখ আঠা লাগিয়ে বন্ধ করে রাখায় সালমান অসুস্থ হতে শুরু করে এবং তা থেকেই মৃত্যু হয়।