নির্বাচনের ১৭ দিন পর ব্যালট বক্স উদ্ধার

এস.এম.শামীম দিঘলিয়া (খুলনা):  গত রোববার ২৮ নভেম্বর সকালে ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের রামকৃষ্ণপুর সরঃ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষ থেকে ব্যালট বাক্সটি উদ্ধার হয়। এ নিয়ে এলাকায় শুরু হয়েছে নানা গুঞ্জন। নির্বাচনে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসার, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সুব্রত বিশ্বাস বলেন, গত ১১ নভেম্বর ডুমুরিয়া উপজেলায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলার রংপুর ইউনিয়নের রামকৃষ্ণপুর পশ্চিমপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একটি ভোট কেন্দ্র করা হয়। উক্ত কেন্দ্রে মোট ভোটার ১ হাজার ৮শ ৬৫ জন। বিরতিহীন ভোটে ১ হাজার ৫শ ৯২ জন ভোটার ভোট প্রদান করেন। এরমধ্যে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী রামপ্রসাদ জোয়ারদার ৭৭৮ ভোট ও ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী সমারেশ মণ্ডল ৭৭৯ ভোট পান। প্রিজাইডিং অফিসার হিসেবে উপজেলার সৈয়দ ইসা টেকনিক্যাল কলেজের ক্রীড়া শিক্ষক গফফার বাওয়ালী দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বলেন, আমার কেন্দ্রে ৬টি বুথ ছিল। তবে ৭টি ব্যালট বক্স আমাকে দেওয়া হয়। বিদ্যালয়টিতে স্থান সংকুলনের অভাবে একটি খালি বক্স বুথের মধ্যেই থেকে যায়। ভোট গণনা শেষে রাতে আনসার সদস্যদের সাহায্যে যাবতীয় মালামাল তুলে দ্রুত গাড়িতে সকলে মিলে কেন্দ্র ত্যাগ করে উপজেলা সদরে রিটার্নিং অফিসারের দপ্তরে এসে জমা দেই। ৯নং ওয়ার্ডের ভোট কেন্দ্র। নির্বাচনে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসার উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সুব্রত বিশ্বাস বলেন, রবিবার (২৮ নভেম্বর) সকালে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা কাদেরুন্নেছা ফোনে জানান, তার কক্ষে একটি খালি ব্যালট বাক্স ও ব্যানার পড়ে আছে। খবর পেয়ে দ্রুত প্রিজাইডিং অফিসার ও থানা পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে উক্ত মালামাল উদ্ধার করে নিজ জিম্মায় রেখেছি। এ ব্যাপারে ডুমুরিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে যার নং ১২৭৬, তাং ২৮/১১/২১ বলে তিনি জানান। নৌকা প্রতীকের প্রার্থী রাম প্রসাদ জোয়ারদার মোবাইল ফোনে জানান, তড়িঘড়ি করে ভোট গণনা করায় আমি উক্ত সেন্টারে ১ ভোট কম পেয়েছি। এখানে কারচুপি হতে পারে বলে আমার বিশ্বাস। খুলনার জ্যেষ্ঠ জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এম মাজহারুল ইসলাম বলেন, প্রতিটি কেন্দ্রেই অতিরিক্ত ব্যালট বাক্স থাকে। ওই কেন্দ্রেও ছিল। সব গুছিয়ে আনার পর হয়তো সেটা আনতে মনে ছিল না। খবর পেয়ে থানা পুলিশের মাধ্যমে ব্যালট বক্সটি উদ্ধার করা হয়েছে।