হেফজতের তাণ্ডবের ক্ষতচিহ্ন নিয়ে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভা

Spread the love

রাবেয়া জাহানঃ হেফাজতে ইসলামের গত ২৮ মার্চের হরতালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হওয়ায় অনির্দিষ্টকালের জন্য পৌরসভার সব কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায় । ফলে নাগরিক সুবিধা প্রদান,  শহর পরিষ্কার  পরিচ্ছন্ন কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হয়।

এ অবস্থায়  জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে  স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার  ধ্বংসপ্রাপ্ত ভবনগুলোকে পরিত্যক্ত ঘোষনা করে নতুন ভবন নির্মানের প্রকল্প গ্রহণ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

 পৌর মেয়র নায়ার কবির বলেন, ২৮ মার্চ হেফাজতের তান্ডবে পৌরসভা একেবারেই ধ্বংস হয়ে যায়। সেবা দেওয়ার মতো  কোনো সুযোগ ছিল না। কিন্ত তারপরেও নাগরিক সেবা অব্যাহত রাখার জন্য বাইরে তাবু টাঙ্গিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করা হয় , তারপর পনের বিশদিন পর জরুরী সেবা জন্মনিবন্ধন , মৃত্যু সনদ, ওয়ারিস সার্টিফিকেট ইত্যাদি কার্যক্রম বারান্দায় বসে পরিচালনা করা হয়। বর্তমানে সরকারের সহযোগিতায় পৌরসভার কাজ একটি অস্থায়ী কার্যলয়ে সম্পূর্ণ হচ্ছে। তিনি আরো বলেন আমরা আশাবাদী সরকারের সহযোগিতায় নতুন পৌরভবন নির্মিত হবে এবং পৌরভার সকল কার্যক্রম আরো সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হবে।

বর্তমানে নাগরিক সেবা নির্বিঘ্নে পরিচালনা করার জন্য সরকার  এক কোটি টাকার বাজেট প্রদান করেন যেনো একটি অস্থায়ী কার্যালয় স্থাপন করে দ্রুত পৌরসবার কাজ পরিচালনা করা যায়। কিন্ত হেফাজতের এই তান্ডবে পৌরসভার অনেক গুরত্বপূর্ণ রেকর্ড পুড়ে ছাই হয়ে যায়, যা একটি অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে রয়ে যায়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভায় নজীরবিহীন  এই ধ্বংসযজ্ঞের পরেও জনসেবা নির্বিঘ্নে পরিচালনার জন্য নতুন অর্থ বছরে পৌরসভার যে ক্ষয় ক্ষতি হয়েছে তা  পূরণ করে নতুন পৌর ভবন নির্মান, পৌর কমিউনিটি হল নির্মান এবং নাগরিক সেবা মান উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নজর দেবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সচেতন মহল।