ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রসুলপুরের মন মাতানো বিলে মানুষের ঢল

Spread the love

রাবেয়া জাহানঃ প্রকৃতির সৌনে্দের্যে হারিয়ে যাওয়ার মধ্যে রয়েছে এক অনাবিল সুখ। আর সেই সুখের সন্ধানে মানুষ ছুটছে দেশ বিদেশ। আর নিজের দেশে নিজের জেলাতেই যখন সেই অনাবিল প্রাকৃতিক সুখ পাওয়া যায় তখন তো আর কথাই থাকে না।

তিতাস নদীর রসুলপুর বিলের অপার সৌন্দর্য  সত্যিই তুলনাহীন। এ যেন অপরূপ জলজ নিসর্গ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগর উপজেলার রসুলপুর ও কুঁড়িঘর এলাকা জুড়ে বিস্তৃত এই বিল। এখানে এলেই ভ্রমণপ্রেমীরা হারিয়ে যান প্রকৃতির মাঝে।

মনে হতে পারে, এত বড় আকাশ কতদিন দেখা হয়নি!বিশাল নদীর বুক চিরে বানানো রাস্তায় বাতাসের তালে তালে হেটেঁ যাওয়ার সময় পানির উপর দিয়ে হেঁটে যাচ্ছি ভাবলেও ভুল হবে না কোন অংশেই।যার কারণে প্রায় প্রতিদিন ই শতশত মানুষ এখন ভীড় করে এই সুন্দর্য্য উপভোগ করতে।  তিতাস নদীর এই বিলটি জনপ্রিয়তা পেয়েছে গত বছর (২০১৯)থেকে।যখন থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর এর গোকর্ণঘাটের সাথে নবীনগর রসুলপুর গ্রামের সংযোগ সেতু নির্মাণ হয়।দৃর্ষ্টিনন্দন সেতুটির নির্মাণ কাজ শুরু হয় ২০১৬ সালের শুরুতে। ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে সেতুটির নির্মাণ কাজ শেষ হয়। সেতুটি চালু হওয়ায় নবীনগরের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগের ক্ষেত্রে প্রায় ৫০ কিলোমিটার পথ কমে আসে। মাত্র ১ ঘণ্টার মধ্যে জেলা শহর থেকে নবীনগর পৌঁছা সম্ভব হয়ে উঠেছে। আর ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহর থেকে মাত্র ৫ কিলোমিটার ভিতরে গেলেই গোকর্ণঘাট থেকে শুরু হয় সেতু আর সেতু শেষেই দেখা মিলে তিতাস নদীর মোহনায় মিশে থাকা অপরূপ জলজ নিসর্গ রসুলপুর বিলের।

রসুলপুরের এই প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে গ্রামীন আবহ সমৃদ্ধ রেস্টুরেন্ট। রেস্টুরেন্টগুলোতেও রয়েছে গ্রাম বাংলার প্রাকৃতি সৌন্দের্য়ের ছোয়া।

এছাড়া শিশুদেরে বিনোদনের জন্য সাম্প্রতিক সময়ে গড়ে উঠেছে নান্দনিক বিনোদন পার্ক। রসুলপুরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ এই বিনোদন পার্কে পাড়ি জমাচ্ছে। তবে এই পার্ককে আরো অত্যাধুনিক এবং সম্প্রসারিত করার  ইচ্ছা প্রকাশ করেন অনেক ভ্রমনকারী।