হেফাজতের তাণ্ডব- ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলস্টেশনে থামছে না ট্রেন।বেকায়দায় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সহ সাধারন মানুষ।

রাবেয়া জাহানঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রেলযোগাযোগ বন্ধ থাকায় যাত্রীরা যতোটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে , তার চেয়ে আরো অনেক বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সেইসব মানুষ যারা এই রেলস্টেশনকে ঘিরেই তাদের জীবন জীবিকা নির্বাহ করতো। গত ২৭ মার্চ ছিল এক মহা প্রলয়। কয়েক মিনিটে ধ্বংস হয়ে গেলো ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলস্টেশন। এই কয়েক মিনিটের একটি তান্ডব অগণিত মানুষের গন্তব্য নড়বড়ে করে দিয়েছে।
ব্রাহ্মনবাড়িয়া রেলস্টেশন আজ নির্জীব, নিস্তব্ধ, জনমানবশূন্য। যাত্রীরা আর ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করে না, আর নেই কোনো ট্রেনে উঠার তাড়াহুড়ো, এখন শুধু শুনশান নিরবতা।
কেমন আছেন নন্দ লাল সেই মুচি ওয়ালা, যিনি দীর্ঘ ৪৫ বছর রেলস্টেশনে ট্রেনের জন্য প্রতীক্ষারত মানুষের জুতা পলিশ করেই সংসার পরিচালনা করতো। কেমন আছেন সেই দোকানদাররা যারা শুধুমাত্র এই রেলস্টেশনকে কেন্দ্র করেই বছরের বহু বছর ধরে ব্যবসা করেছেন। এই রেলস্টেশনের যাত্রীদের ঘিরেই গড়ে উঠা অসংখ্য স্টেশনারি দোকান। এখন এই জনমানব শূন্য রেলস্টেশনে
কিভাবে চলছে তাদের দোকান,?
কেউ কি তাদের কথা ভাবে। করোনার আঘাতে জর্জরিত এই মানুষগুলো এই নতুন ধাক্কা কিভাবে সামলাবে? কিভাবে পরিশোধ করছে তাদের কিস্তি আর রিনের টাকা?
জীবনের এই সংকটময় পরিস্থিতিতে রেলস্টেশনের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের একটাই চাওয়া দ্রুত রেলস্টেশনের সংস্কার কাজ শুরু হউক। আবার রেলস্টেশনে যাত্রীদের সমাগম হউক।
ব্রাহ্মনবাড়িয়ার রেলস্টেশন আবার প্রাণ ফিরে পাক।