লক ডাউনের দ্বিতীয় দিনে রিকশা ভাড়া দ্বিগুন থেকে তিনগুন; অফিসগামী যাত্রীরা ভাগাভাগি করে দিচ্ছেন ভাড়া

Spread the love

লকডাউনে সব ধরনের গণপরিবহন চলাচল বন্ধ। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া ব্যক্তিগত যানবাহন নিয়ে বের হওয়াও বারণ। তবে নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করে কিছু প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার সিদ্ধান্ত দিয়েছে সরকার। কিন্তু কর্মীদের যাতায়াতের জন্য পরিবহন ব্যবস্থা রেখেনি এসব প্রতিষ্ঠানের অধিকাংশই। ফলে সকালে অফিসগামী মানুষ পড়েছেন চরম দুর্ভোগে। সহজলভ্য পরিবহন রিকশা ও সিএনজি অটোরিকশা পাওয়াটাই যেন সোনার হরিণ। এ সুযোগে রিকশাচালকরা ভাড়া নিচ্ছেন দ্বিগুণের বেশি। সকালে অফিস টাইমের আগে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় এমন চিত্র দেখা গেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রিকশা চালকদের অধিকাংশই থাকেন নগরীর খিলগাঁও এলাকায়। এই এলাকায় রিকশা বা রিকশা গ্যারেজ মালিকের সংখ্যা অনেক বেশি। ফলে তুলনামূলভাবে এলাকাটিতে রিকশার সংখ্যাও বেশি। কিন্তু বৃহস্পতিবার সকালে অফিস শুরুর আগে খালি রিকশার সন্ধান পাওয়া ছিল অনেকটা সোনার হরিণের মতো।

অন্য কোনও গণপরিবহন না থাকায় দ্বিগুণ-তিনগুণ ভাড়া চাচ্ছেন রিকশাচালকরা

রিকশা না পেয়ে অনেকেই হাটছেন। ১৫ থেকে ২০ মিনিটের পথের জন্য ভাড়া দাবি করছে দেড়শ থেকে দুইশত টাকা। অথচ এই ভাড়া আগে ছিলো ৭০ বা ৮০ টাকা।

এসময় অফিসগামী বহু মানুষকে পরিবহনের জন্য অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। পরিবহন না পেয়ে ভাড়া ভাগাভাগি করে এক সঙ্গে দুই জন যাত্রীকেও রিকশায় উঠে যাতায়াত করতে দেখা গেছে। লকডাউনের প্রথম দিন রিকশায় দুই যাত্রীকে এক সঙ্গে যাতায়াত করতে দেওয়া না হলেও দ্বিতীয় দিন বৃহস্পতিবার দুই থেকে তিন জন করে যাত্রী পরিবহন করতেও দেখা গেছে। এসময় মোড়ে মোড়ে দায়িত্বপালনকারী পুলিশের সদস্যরা বাধা দেননি।

এমনই চিত্র দেখা গেছে প্রায় প্রতিটি এলাকায়। অফিসগামী মানুষের দাবি গণপরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত না করতে পারলেও যেন ভাড়া নিয়ন্ত্রণ করে দেওয়া হয়। এলাকার দুরুত্ব অনুযায়ী যাতে ভাড়া নির্ধারণ করে দেওয়া হয়।