মরার আগেই পেঁচাটিকে খাওয়ার জন্য উৎ পেতে আছে সকল কাক : অবশেষে উড়াল দিলো অসুস্থ পেঁচাটি

Spread the love

রাবেয়া জাহানঃ বর্তমানে পেচা খুব একটা দেখা যায় না্ প্যাঁচার দূরবদ্ধদৃষ্টি আছে ফলে এরা চোখের কয়েক ইঞ্চির মধ্যে অবস্থিত কোন বস্তু পরিষ্কারভাবে দেখতে পায় না। এরা এদের ধরা শিকারকে চঞ্চু এবং নখরে অবস্থিত বিশেষ এক ধরনের পালক দ্বারা অনুভব করতে পারে। এরা নিজের কাঁধের উপর দিয়ে পেছনে দেখতে পায়

প্যাঁচার শ্রবণশক্তি খুব প্রখর। শুধু শব্দ দ্বারা চালিত হয়ে এরা নিরেট অন্ধকারে শিকার ধরতে পারে।কিছুটা অসুস্থ অবস্থায় একটি পেচা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পূর্ব  মেড্ডার একটি বাড়িতে সানসাইডে আশ্রয় নেই। সেখানে কাকরা তাকে ঘেরাও করে। কাকগুলো অপেক্ষা করছে কখন সে মারা যাবে আর কখন তাকে খাওয়া যাবে। দু একটা কাক দুঃসাহস দেখিয়ে জীবিত পেচাটিকে আক্রমণ করছিলো। পেচাটি তখন অসুস্থ অবস্থাতেই হুংকার দিয়ে কাকদের তাড়ানোর চেষ্টা করছিলো। ধীরে ধীরে কাকের সংখ্যা বাড়ছিলো, পেচাটি তখন অসহায় বোধ করছিল। পাশের বাসার বারান্দা থেকে লাঠি দিয়ে কাক তাড়ানোর চেষ্টা  করা হচ্ছিল অনর্গল, কিন্ত এভাবে আর কতোক্ষন পাহাড়া দেওয়া সম্ভব? পেচাটি পরে অন্যত্র আশ্রয় নেই যেখানে কাক আসার সম্ভাবনা কম। পরে পেচাটির নিরাপত্তার জন্য তাকে ধরার চেষ্টা করা হলে সে সকল অসুস্থতা বা আলসেমি দূর করে উড়াল দেই। বন্দি হতে চাই না কোনো প্রাণীই , যে কোনো মুল্যে সবাই স্বাধীন থাকতে চায়।