নির্বাচনী প্রচারণায় শব্দ দূষণে বিপর্যস্ত সাধারণ মানুষ : রাবেয়া জাহান

Spread the love

আগামি ২৮ ফেব্রূয়ারী পৌর নিবার্চনকে কেন্দ্র করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুরো শহর জুড়ে বইছে নির্বাচনী আমেজ । মাঝে মাঝে নিবার্চনী বিধি না মেনে  অলিতে গলিতে লাউড স্পিকারে বাজছে মাইকিং, গানের সুরে সুরে আশ্বাস দিচ্ছে , নির্বাচনে হলে জয় থাকবে না আর কারো ভয়। সারা শহরের প্রতিটি গলিতে জুলছে প্রার্থীদের নিবার্চনী পোস্টার আর পোস্টার। বিশেষজ্ঞরা বলছেন পলিথিন মোড়ানো নিবার্চনী পোষ্টার পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এছাড়া কেবল কাগজের তৈরি যে পরিমাণ পোস্টার রয়েছে , তা যদি ড্রেনে যায়, তাহলে জলাবদ্ধতা ব্যাপক আকার ধারণ করবে। নির্বাচনে মাইকিং ব্যবহারের আইনি অনুমতি থাকলেও বাস্তবে শহর ঘুরে দেখা যায় যেভাবে লাউড স্পিকার ব্যবহার করা হয়, তাতে দুপুর ২টা থেকে ৮টার সময়সীমা কেউ মানে না। এছাড়া একাধিক স্পিকার ব্যবহার করা হচ্ছে উচ্চমাত্রায়। ফলে ব্যাপক শব্দদূষণের সৃষ্টি হয়। হাসপাতাল, দোকান, অফিস আদালত থেকে শুরু করে পথচারীরা মারাত্মকভাবে শব্দ দূষনের শিকার হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অনেকেই। অন্যদিকে নির্বাচনী প্রচারের নামে মিছিল, শোডাউন করে প্রচারনা করতে গিয়ে যানজটের সৃষ্টি হয়ে দুর্ভোগের সীমা থাকে না। আর এজন্য পরিবেশবান্ধব, শব্দ দূষণমুক্ত এবং যানজটহীন নির্বাচনী প্রচার ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহবান জানান সচেতন মহল। নির্বাচনী প্রচারনা অনলাইনে হলেই সবচেয়ে বেশি ভাল হয়, এতে কারো কোনো সমস্যা সৃষ্টি হবে না মত প্রকাশ করেছে অনেকেই।