চসিক নির্চবানে সংঘাত সংঘর্ষে একজন নিহতঃ পুলিশ বলছে পারিবারিক কারনে মৃত্যু।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। বুধবার (২৭ জানুয়ারি) সকাল ৮টায় নগরীর ৭৩৫টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে একটানা চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর চট্টগ্রামে সিটি নির্বাচনের ভোটের দিন সকালে সহিংস সংঘাত হয়েছে পৃথক পৃথক স্থানে। অন্তত একটি জায়গায় সংঘাতে একজনের প্রানহানী হয়েছে।
সকাল দশটার দিকে খুলশি থানার আমবাগান এলাকায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে এক ব্যক্তি মারা গেছেন বলে জানাচ্ছে পুলিশ। সকাল থেকে বিভিন্ন এলাকায় ভোটগ্রহণের সময় সহিংসতা, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। পৃথক সহিংস ঘটনায় দ্বিতীয় একজনের মৃত্যু ঘটলেও, পুলিশ বলছে, এটা পারিবারিক কারণে, ভোটের সাথে সম্পর্ক নেই।
টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচারিত ভিডিওতে দেখা গেছে, লালখান বাজার, খুলশি ও পাহাড়তলীতে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হচ্ছে। ভিডিওতে আরো দেখা গেছে, শত শত দাঙ্গা পুলিশ সংঘর্ষ নিরসনের জন্য মোতায়েন করা হচ্ছে।
ভোটগ্রহণকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অতিরিক্ত আট হাজার পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে বাংলাদেশ পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়। নির্বাচনের আগে সাতশো’র বেশি ভোটকেন্দ্রের অর্ধেকের বেশি ভোটকেন্দ্রই ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করে পুলিশ। তাই ভোটগ্রহণ চলাকালে সংঘাত-সহিংসতার ঘটনা এড়াতে আগে থেকেই সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিয়েছিল তারা
সংঘাতসংকুল এলাকাগুলোর মধ্যে একটি, পাহাড়তলীতে আজ সকালে এক ব্যক্তি ছুরিকাঘাতে নিহত হলেও, পুলিশ বলছে এই হত্যাকাণ্ডের সাথে ভোটের কোন সম্পর্ক নেই। এটা নিতান্তই পারিবারিক কলহের জের। তবে স্থানীয় সাংবাদিকরা বলছেন, পাহাড়তলীর ওই ঘটনায় এক ভাই আরেক ভাইকে হত্যা করেছে। দুই ভাই দুইজন প্রতিদ্বন্দ্বি কাউন্সেলর প্রার্থীর সমর্থক। সমর্থন নিয়ে বাদানুবাদের এক পর্যায়েই এক ভাই আরেক ভাইকে ছুরিকাঘাত করে বলে জানাচ্ছেন স্থানীয় সাংবাদিকেরা। তবে চট্টগ্রামের পশ্চিম বিভাগের এডিসি আবু বকর সিদ্দিক বলেন, “নির্বাচন চলতে থাকায় এই হত্যাকাণ্ডটিকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক ফায়দা নেয়ার চেষ্টা করছে অনেকে, তাই এ ধরণের গুজব ছড়ানো হচ্ছে।”

পথিকটিভি/ এ আর