বিশ্বকাপ ট্রফির রেপ্লিকা বানিয়ে স্কুলছাত্রের চমক

বিশ্বকাপ ট্রফির রেপ্লিকা বানিয়ে স্কুলছাত্রের চমক

বিশ্বকাপ ট্রফির রেপ্লিকা বানিয়ে স্কুলছাত্রের চমক

কাতারে বিশ্বকাপ ফুটবলের মহাযজ্ঞ শুরু হওয়ার পর থেকে ঝড়ে কাঁপছে পৃথিবী। খেলায় নিজ দেশের অংশগ্রহণ না থাকলেও ফুটবলপ্রেমী বাংলাদেশিরাও সেই উত্তেজনায় গা ভাসিয়েছেন। এবার ফুটবল উৎসবের উন্মাদনায় নিজ হাতে ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফির রেপ্লিকা তৈরি করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন আর্জেন্টিনা ভক্ত স্কুলছাত্র সাকিবুল ইসলাম সাকিব।
কাগজ, আঠা, রঙের সংমিশ্রণে প্রায় এক বছরেরও বেশি সময়ের পরিশ্রমে ট্রফিটি তৈরি করেছেন তিনি।

হুবহু ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ ট্রফির মতো রেপ্লিকাটি দেখতে ছুটে আসছেন আশেপাশের গ্রামের ফুটবলপ্রেমীরা। সাকিব পাবনার সুজানগর উপজেলার ভবানীপুর গ্রামের তায়নুল ইসলামের ছেলে। তিনি সুজানগর সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র।


আলাপকালে সাকিব জানান, ‘আমার মা সালমা খাতুন শখের বসে কাগজ, কাঠ, কাপড় দিয়ে শৌখিন ফুলদানি ও শিল্পকর্ম তৈরি করেন। তার দেখাদেখি আমার মনেও বিশ্বকাপ ফুটবল ট্রফি তৈরির ইচ্ছা জাগে। ইন্টারনেট থেকে ছবি ও নকশা সংগ্রহ করে লেগে পড়ি বিশ্বকাপ ট্রফি তৈরিতে।

সাবিক আরও বলেন, ‘ফুটবল বিশ্বকাপে আমি আর্জেন্টিনার সমর্থক। আমার প্রিয় দল এবার যেন ট্রফি জিতে নেয়, সে আশা আমার। গ্রামের আর্জেন্টিনা সমর্থকদের উজ্জীবীত করতেই দিনরাত পরিশ্রম করে ট্রফির রেপ্লিকা তৈরি করেছি। ট্রফিটি সত্যিকারের বিশ্বকাপ ট্রফির মতোই দেখতে হওয়ায় আমি খুবই খুশি।’


সাকিবের মা সালমা খাতুন বলেন, ‘শখ করে কাগজ দিয়ে আমি একটি ফুলদানি তৈরি করি। আমার ছেলে দেখে বলল, আম্মু আমি একটি বিশ্বকাপ ট্রফি বানাতে চাই। আমি বলি তুমি যদি পারো তাহলে বানাও। এরপর সে বানিয়েছে। ’


সুজানগর উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীনুজ্জামান শাহীন বলেন, ‘বাঙালি জাতি ফুটবলপ্রেমী। গ্রামাঞ্চলে বিশ্বকাপ ফুটবলের আনন্দ মাসজুড়ে উৎসবে রূপ নেয়। সাকিবের বানানো বিশ্বকাপ ট্রফির রেপ্লিকা সে আনন্দকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। যদিও আমি ট্রফিটি এখনও দেখিনি। সময় করে ট্রফিটি দেখতে যাবো।’


সুজানগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘বিষয়টি আপনার থেকেই আমি প্রথম শুনলাম। তার সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে।’