দেশীয় পুঁটি মাছের চ্যাপা শুটকি তৈরী হচ্ছে নাসিরনগরে : রপ্তানী হচ্ছে বিদেশে

সরকার যদি তাদের এ ব্যবসার উপরে সরকারী ঋণের ব্যবস্থা করে দিতেন তাহলে তারা এ ব্যবসা করে বৌ ছেলে মেয়ে নিয়ে চারটি ডাল ভাত খেয়ে একটু সুখে দিন যাপন করতে পারতেন।তাই শুঁটকি ব্যবসায়ীরা এ খাতে সরকারী পৃষ্টপোষকতা চায়।

দেশীয় পুঁটি মাছের চ্যাপা শুটকি তৈরী হচ্ছে নাসিরনগরে : রপ্তানী হচ্ছে বিদেশে

মোঃ আব্দুল হান্নান,নাসিরনগর: ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলা সদরে নদীর পাড়ে এখন  চলছে ভোঁজন রসিক ও রসনা বিলাসীদের জন্য মিঠা পানির দেশীয় পুঁটি মাছের চ্যাপা শুটকি তৈরীর ধুম।

সরেজমিন নাসিরনগর খাদ্য গুদামের পশ্চিমে নদীর পাড়ে গিয়ে দেখা গেছে শুঁটকি শুকানোর দৃশ্য।শুঁটকির জন্য মাছ কুটতে আর শুকাতে জেলে পল্লীর নারী পুরুষদের ব্যস্থ সময় পার করতে দেখা গেছে।

মাছ শুকাতে খাদ্য গুদামের পশ্চিমে,জেলে পল্লীর উত্তরে নদীর পাড়ে গড়ে তোলা হয়েছে প্রায় ১৫ টি বাঁশের মাচা।নদী থেকে আসা পুঁটি মাছ পাইকারী কিনে নিয়ে আসলে মহিলারা এ আসমস্ত মাছ খুটে পানিতে ধুয়ে মাচার উপর শুকিয়ে তৈরী করে শুঁটকি।ব্যবসায়ীরা জানায়,তারা পুঁটি মাছের শুঁটকি তৈরী করার পর এ শুঁটকি গুলোকে ভৈরব ও হবিগঞ্জ জেলায় পাইকারী বিক্রি করে দেন।আর পাইকাররা এ সমস্ত শুঁটকি থেকে চ্যাপা শুঁটকি তৈরী করে।যা বিভিন্ন দেশে ও রপ্তানী করা হয়ে থাকে।আর অনেক ভোঁজন রসিকরা এ সমস্ত চ্যাপা শুঁটকি দিয়ে রসনার সাধ মিটায়।

কথা হয় শুঁকটি ব্যবসায়ী সখি চরণের সাথে। তিনি বলেন,নদীর পাড়ে শুঁটকি শুকানোর জন্য এখানে ১৫ টির মত বাঁশের মাচা রয়েছে।তিনি আরো বলেন,এ ব্যবসা করতে গেলে যে পুঁজির প্রয়োজন হয়  তা তাদের নেই।তারা বিভিন্ন মহাজনের কাছ থেকে সুদের উপর ধার দেনা করে ব্যবসা করছেন।

সরকার যদি তাদের এ ব্যবসার উপরে সরকারী ঋণের ব্যবস্থা করে দিতেন তাহলে তারা এ ব্যবসা করে বৌ ছেলে মেয়ে নিয়ে চারটি ডাল ভাত খেয়ে একটু সুখে দিন যাপন করতে পারতেন।তাই শুঁটকি ব্যবসায়ীরা এ খাতে সরকারী পৃষ্টপোষকতা চায়।