আশুগঞ্জে বাসার ছাদ থেকে কিশোরের লাশ উদ্ধার

Spread the love

বাবুল সিকদার:  ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে বন্ধুদের হাতে আরেক বন্ধকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। নিহতের নাম ইয়াসিন আরাফাত। সে আশুগঞ্জ উপজেলা খাদ্য অধিদপ্তরের অবসর প্রাপ্ত অফিস সহকারী আব্দুর রহমানের ছেলে। শনিবার দুপুরে পুলিশ উপজেলা শহরের হাজী পাড়ার ভাড়া বাসার ছাদ থেকে কিশোরের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ২জন বন্ধুকে আটক করেছে পুলিশ। আটককৃতরা হলো মকবুল হোসেনের ছেলে আলভী ও মৃত ফিরোজ শিকদারের ছেলে একান্ত শিকদার।

নিহতের পরিবার জানান,শুক্রবার বিকেল ৪টায় ইয়াসিন আরাফাতের বন্ধুরা ফোন করে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর থেকে ইয়াসিনকে আর খোজে পাওয়া যাচ্ছিল না। বারবার তাকে ফোন করলেও রিসিভ করছিলনা। পরে রাত সাড়ে ১১টায় ইয়াসিনের ভাই তুষার তার ইয়াসিনের ব্যাক্তিগত ফেইজবুকে ম্যাসেঞ্জারে ভয়েজ ম্যাসেজে দেখতে পান সে তার বন্ধু রায়হানের সাথে বাসার ছাদে আছেন  এবং তার কাছে মাফ চাইছেন।

বিষয়টি দেখতে পেয়ে তাৎক্ষনিক বোন জ্যোতিকে জানালে দ্রুত বাসার ছাদে গিয়ে দেখতে পান ছাদের গেইট ভিতর থেকে বন্ধ অনেক ডাকাডাকির পর কোন সারাশব্দ না পেয়ে রাতেই বাসায় চলে যান। পরে শনিবার সকালে পাশের ছাদ দিয়ে গিয়ে দেখেন ইয়াসিনের গলায় জিআই তার দিয়ে পেছানো অবস্থায় ঝুলিয়ে আছে তার মরদেহ। বিষয়টি দেখতে পেয়ে ৯৯৯ এ ফোন দিয়ে পুলিশের সহযোগীতা চাইলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে সুরতহাল করে দুপুর ১২টায় লাশ উদ্ধার করে।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও প্রশাসন) রইছ উদ্দিন বলেন,ঘটনাটি খুবই রহস্যজনক।ইতিমধ্যে জিজ্ঞাসাবাদের দুজনকে আটক করা হয়েছে। আশাকরি দ্রুত এ ঘটনার রহস্য উন্মোচন হবে। এব্যাপারে আশুগঞ্জ থানার ওসি জাবেদ মাহমুদ বলেন,পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনাস্থল থেকে কিছু আলামত জব্দ করা হয়েছে কিছু আলামত ও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের দুই বন্ধুকে আটক করা হয়েছে বলে জানান তিনি।