দ্বিতীয় দফায় আজ থেকে করোনা টিকাদান কার্যক্রম শুরু হলো ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে

Spread the love

ঢাকা মেডিক্যাল হাসপাতালে দ্বিতীয় দফায় চলছে করোনা টিকাদান। আজ রবিবার (৭ জানুয়ারি) সকাল ১০টার সময় জরুরি বিভাগের আন্ডারগ্রাউন্ডে দ্বিতীয় দফায় টিকার কার্যক্রম শুরু হয়। টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।
টিকাদান কর্মসূচির উদ্ধোধনের সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘করোনার টিকাদানের মাধ্যমে দেশে একটি মহৎ কাজের শুরু হলো আজ।’ এর আগে যারা টিকা নিয়েছেন তারা সবাই সুস্থ আছেন বলে জানান তিনি।
এর আগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) সকাল ৯টায় টিকাদান কর্মসূচি হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া। তিনি জানান, প্রথমে একজন নারী বিচারপতি টিকা নিয়েছেন। এছাড়া, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি এন ইনায়েতম রহিম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য আব্দুস সামাদও টিকা নিয়েছেন।

কর্মসূচি শুরুর পর টিকা নিয়েছেন হাসপাতালের শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও নাক কান গলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক দেবেশ চন্দ্র তালুকদার, নার্স আরিফুল হক টুটুলসহ আরও অনেকে। হাসপাতালে নার্সদের টিকা দেওয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ নার্সেস অ্যাসোসিয়েশন ঢামেক শাখা সভাপতি কামাল হোসেন পাটোয়ারী।
বাংলাদেশে মোট জনসংখ্যার ৮০ শতাংশ, অর্থাৎ ১৩ কোটি ৮২ লাখ ৪৭ হাজার ৫০৮ জন মানুষকে করোনা ভাইরাসের টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে সরকার। প্রত্যেককে দুই ডোজ করে টিকা দেওয়া হবে।
প্রাথমিকভাবে প্রথম ডোজের আট সপ্তাহ পরে দ্বিতীয় ডোজ টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা হলেও সেখানে পরিবর্তন এসেছে। আরও আগেই দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হবে বলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জানিয়েছেন।
এর আগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) সকাল ৯টায় টিকাদান কর্মসূচি হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া। তিনি জানান, প্রথমে একজন নারী বিচারপতি টিকা নিয়েছেন। এছাড়া, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি এন ইনায়েতম রহিম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য আব্দুস সামাদও টিকা নিয়েছেন।

গত ২৭ জানুয়ারি দেশে প্রথম করোনার টিকা প্রদান শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। এর একদিন পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল, বাংলাদেশ কুয়েত মৈত্রী হাসপাতাল, মুগদা জেনারেল হাসপাতাল এবং বিএসএমএমইউয়ে প্রাথমিকভাবে ৫৪১ জনকে টিকা প্রদান করা হয়।