নড়াইলে স্কুল ছাত্রীকে গনধর্ষন; ছাত্রী মারাত্মক আহত

Spread the love

প্রেমিকের আহ্বানে সাড়া দিতে গিয়ে নড়াইলের কালিয়ায় এক স্কুলছাত্রী গণধর্ষণের শিকার হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার উথলী গ্রামে এই গণধর্ষণের ঘটনা ঘটে। পরে মারাত্মক আহত অবস্থায় ওই ছাত্রীকে প্রথমে কালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে নড়াইল সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে কালিয়া থানায় পাঁচজনকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে। পুলিশ প্রতারক প্রেমিকসহ দুজনকে আটক করেছে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, কালিয়ার একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ওই ছাত্রীর সঙ্গে কিছু দিন আগে উথলী গ্রামের ইউছুফ শেখের ছেলে বখাটে মিশান শেখের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেই সূত্র ধরে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে মিশান তাকে ফোন করে বাড়ির পাশে নিয়ে যায়। কৌশলে তাকে একটি মাঠের মধ্যে ডেকে নিয়ে তার চোখমুখ বেঁধে ফেলে। পরে তাকে দল বেঁধে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায় পাষণ্ডরা। মারাত্মক আহত অবস্থায় পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে। পরে কালিয়া থানা পুলিশ রাতেই অভিযান চালিয়ে প্রতারক প্রেমিক মিশান শেখ (১৮) ও একই গ্রামের রবিউল শিকদারের ছেলে বাপ্পি শিকদারকে (১৯) আটক করে। গণধর্ষণের ঘটনায় ধর্ষিতার বাবা গোলজার হোসেন বাদী হয়ে পাঁচজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা তিনজনকে আসামি করে কালিয়া থানায় মামলা করেছেন।

কালিয়া সরকারি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিএম শুকুর আলী ধর্ষকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন। কালিয়া থানার ওসি শেখ কনি মিয়া বলেন, ‘স্কুলছাত্রীকে গণধর্ষণের ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছে। আটক দুজনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক আসামিদের ধরতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত আছে। ধর্ষিতাকে উন্নত চিকিৎসাসহ ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নড়াইল সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।’

সূত্রঃ যুগান্তর

পথিকটিভি/ এ আর