অভ্যুত্থানের প্রতি নিন্দা জানিয়েছে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী; সুচির লোকেদের অভ্যুত্থানের বিরোধীতা করার আহ্বান।

Spread the love

দ্য ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসি ফেসবুকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সেনাবাহিনীর পদক্ষেপগুলো বিচার বহির্ভূত এবং সংবিধান ও ভোটারদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে গেছে।
অং সান সুচি’র রাজনৈতিক দল থেকে মিয়ানমারের জনগণের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে, তারা যেন সোমবারের অভ্যুত্থান এবং সামরিক স্বৈরশাসনের বিষয়টি সমর্থন না করে।
অং সান সুচি’র রাজনৈতিক দল থেকে মিয়ানমারের জনগণের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে, তারা যেন সোমবারের অভ্যুত্থান এবং সামরিক স্বৈরশাসনের বিষয়টি সমর্থন না করে।
মিয়ানমারে সেনাবাহিনীর অভ্যুত্থানের নিন্দা জানিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। সেই সঙ্গে আটক নেতাদের মুক্তি দেওয়ার কথা বলেছেন তিনি।
অং সান সুচিকে অবৈধভাবে আটক রাখার নিন্দাও জানিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, গণতন্ত্রকে অবশ্যই সম্মান করতে হবে।
এদিকে বিশ্বনেতারাও মিয়ানমারের ঘটনায় সেনাবাহিনীর নিন্দা করছে। ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, জাপান, তুরস্ক, সিঙ্গাপুর অভ্যুত্থানের নিন্দা জানিয়েছে।
এমনকি জাতিসংঘ থেকে শুরু করে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল মিয়ানমারে সেনা অভ্যুত্থানের নিন্দায় সরব হয়েছে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন সেই তালিকায় শরিক হলেন।
এ ঘটনায় এরই মধ্যে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তারা জানিয়েছে, আমরা বিশ্বাস করি যে- মিয়ানমারে আইনের শাসন এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অবশ্যই বহাল থাকবে। আমরা গভীরভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি।
জানা গেছে, গত বছরের নির্বাচনে ৪৭৬ আসনের মধ্যে ৩৯৬টিতে জিতেছে অং সান সুচির দল। তবে সেনাবাহিনীর অভিযোগ, নির্বাচনের ফলে জালিয়াতি করা হয়েছে। এ ঘটনার জেরে অং সান সুচি এবং সে দেশের প্রেসিডেন্টকে আটক করা হয়েছে।
আজ সোমবার সকালে জনসন এক টুইট বার্তায় জানান, আমি এ অভ্যুত্থানের নিন্দা জানাচ্ছি এবং অং সান সুচিসহ মিয়ানমারে বেসামরিক নাগরিকদের বেআইনিভাবে আটকের নিন্দা জানাচ্ছি।

পথিকটিভি/ এ আর