বিএনপি মনোনীত কাউন্সিলর প্রার্থী মোহাম্মদ ইসমাইল বালীকে আটক করেছে পুলিশঃ চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচন।

Spread the love

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে।
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ৩৪ নম্বর পাথরঘাটা ওয়ার্ডে কয়েকটি কেন্দ্রে মারামারির ঘটনার পর বিএনপি মনোনীত কাউন্সিলর প্রার্থী মোহাম্মদ ইসমাইল বালীকে আটক করেছে পুলিশ। আজ বুধবার (২৭ জানুয়ারি) বেলা সোয়া ১২টার দিকে তাকে আটক করা হয়।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) পলাশ কান্তি নাথ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বেলা সোয়া ১২টার দিকে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ৩৪ নম্বর পাথরঘাটা ওয়ার্ডে কয়েকটি কেন্দ্রে মারামারির ঘটনা ঘটে। এরপর বিএনপি মনোনীত কাউন্সিলর প্রার্থী মোহাম্মদ ইসমাইল বালীকে আটক করে পুলিশ।
মনোয়ারা বেগম মনি তার মতো সব বিএনপি প্রার্থীকেও নির্বাচন বর্জন আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেন, এখনই এ নির্বাচন স্থগিত করতে হবে। কোনো এজেন্টকেই কেন্দ্রে ঢুকতে না দেওয়ার প্রতিবাদে মনোয়ারা বেগম মনি লালখানবাজার রাস্তায় প্রতিবাদী অবস্থান নেন।
চট্টগ্রাম নগর মহিলা দলের সভানেত্রী মনোয়ারা বেগম মনি বলেন, ‘২০০৫ থেকে টানা ৩ বার নির্বাচিত হয়ে আসছি। এবারের নির্বাচনে আমার ৩১৪ এজেন্টের সকলকেই বের করে দিয়েছে আওয়ামী লীগের সমর্থকরা। এই নির্বাচনকে আমি ঘৃণা করি। নিন্দা জানাই। আমি এই নির্বাচন বর্জন করলাম।’
লালখানবাজার মনোয়ারা বেগম মনি যখন এসব অভিযোগ করছিলেন তখন তার থেকে হাতপাঁচেক দূরেই দাঁড়িয়ে ছিলেন পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আনোয়ার হোসেন। বিপুল সংখ্যক বিজিবিও সেখানে ছিল। কিন্তু তাদের কাউকেই বিষয়টি আমলে নিতে দেখা যায়নি।
এর আগে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ১৪, ১৫ ও ২১ নম্বর ওয়ার্ডে বিএনপি মনোনীত সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থী মনোয়ারা বেগম মনির কোনো এজেন্টকেই কেন্দ্রে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। এর প্রতিবাদে তিনি নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন। আজ বুধবার (২৭ জানুয়ারি) সকাল ১০টার পর তিনি নির্বাচন বর্জনের সিদ্ধান্ত নেন। পরে এ বিষয়ে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন তিনি। মনোয়ারা বেগম মনি বলেন, তিনি নিজের ভোটই দিতে পারেননি। তার এজেন্টদের মেরে ভোট কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। তার পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা হয়েছে।

পথিকটিভি/এ আর