আশুগঞ্জের তালশহর গ্রামে পৌষসংক্রান্তিতিথি উৎসব পালিত

Spread the love

মোঃ সাইফুল ইসলাম: ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার তালশহর গ্রামের পশ্চিম পাড়া শ্বশান গাছতলা চত্বরে (১৪ জানুয়ারি) বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় হিন্দু ধর্মাম্বলীদের পৌষ সংক্রান্তিতিথি উৎসব প্রালিত হয়েছে। পৌষসংক্রান্তিতিথি বা- মকর সংক্রান্তিতিথি বাঙালি সংস্কৃতিতে একটি বিশেষ উৎসবের দিন। বাংলা পৌষ মাসের শেষের দিন এই উৎসব পালন করা হয়। এই দিন বাঙালি সনাতন ধর্মাম্বলী হিন্দু সম্প্রদায়ের নারী- পুরুষ শিশু সহ সকলের উপস্হিতির মধ্যদিয়ে, বিভিন্ন ধরনের অনুষ্টানের আয়োজন করে থাকে। তালশহর গ্রামের হিন্দু সম্প্রদায়দের সকলে মিলেমিশে, এক সাথে সার্বজনীনভাবে পৌষ সংক্রান্তিতিথি উৎসব পালন করে আসছে, যুগ যুগ ধরে। অনুষ্ঠানে হিন্দু সম্প্রদায়ের কয়েক শত, নারী – পুরুষ শিশু সহ সকল বক্ত বৃন্দের উপস্হিতির মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, শ্বশান কল্যার সভাপতি, ডাক্তার শংকর ঠাকুর তলাপাত্র, ও পৌষ সংক্রান্তিতিথি উৎসব, পরিচালনা করেন, অজিত ঠাকুর তলাপাত্র , অর্জুন ঠাকুর তলাপাত্র, পৌষ সংক্রান্তিতিথি উৎসব অনুষ্টানে পূজা পার্ব্বণ করেন, রঞ্জিত চক্রবর্তী, পৌষ সংক্রান্তিতিথি উৎসবে, শ্বশান কল্যার সভাপতি শংকর ঠাকুর তলাপাত্র বলেন, আমাদের হিন্দু ধর্মের আর্চার অনুষ্ঠান পূজা, পার্ব্বণের মধ্যে পৌষ সংক্রান্তিতিথি উৎসব ও একটি মহা গুরুত্বপূর্ণ উৎসব। হিন্দু ধর্ম মতে আমাদের পূর্ব পুরুষ থেকে শুরু করে, আমরাও হিন্দু ধর্মের নিয়ম – রীতিসম্মত, প্রতি বছরের ন্যায় পৌষ সংক্রান্তিতিথি উৎসব পালন করে আসছি, আমাদের পরবর্তী প্রজন্মে ও পৌষ সংক্রান্তিতিথি উৎসব যুগ, যুগ ধরে অব্যাহত থাকবে, এমনটায় প্রত্যাশা করেন, ডাক্তার শংকর ঠাকুর তলাপাত্র। তাছাড়াও পৌষসংক্রান্তিতিথি উৎসব উপলক্ষে পৌষসংক্রান্তিতিথি’র বিষয়ে বিভিন্ন দিক তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন, অর্জুন ঠাকুর তলাপাত্র, সেসময় তিনি বলেন, আমার বাবা দুর্গাঠাকুর তলাপাত্র, গতবছর পৌষসংক্রান্তিতিথি উৎসব অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেছিলেন, কিন্তু গত জুন মাসে আমার বাবা ইহলোক ত্যাগ করেন, বাবার শূন্যতায় আমরা মর্মাহত আমার বাবা দুর্গাঠাকুর তলাপাত্র পৌষসংক্রান্তি উৎসব যুগ যুগ ধরে পালন করে গেছেন। তারই ধারাবাহিকতায় আমরা ও সার্বজনীন সনাতন ধর্মাম্বলী হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন প্রতিবছরের ন্যায় এবছর ও পালন করছি। তাছাড়াও বক্তব্য রাখেন, রঞ্জিত চক্রবর্তী, রাজ কুমার দাস, মনুরঞ্জন দাস, অশোক দাস, সৌমন দাস, প্রমুখ। অনুষ্ঠানে হিন্দু ধর্মাম্বলীদের নিয়ম – রীতিনীতি অনুযায়ী ভগবান কে তুষ্ট করতে কিত্তন – গান বাজনা, পূজা, পার্ব্বণ ও প্রসাদ বিতরণের মধ্যদিয়ে, বিশ্ব শান্তি – মঙ্গল কামনায় হিন্দু ধর্মাম্বলীদের মহা গুরুত্বপূর্ণ পৌষ সংক্রান্তিতিথি উৎসব অনুষ্ঠানের, সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।