নওগাঁর রাণীনগরে  লতিরাজ কচুর চাষ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে 

Spread the love
মোঃ ফিরোজ হোসাইন:  নওগাঁর রাণীনগরে   জনগণের কাছে জনপ্রিয় হয়েছে উঠেছে অধিক পুষ্টিগুন সম্পন্ন লতিরাজ কচুর চাষ ৷
কাশিমপুর গ্রামের কচু চাষী মোঃ আবুল কাশেম বলেন কৃষি কর্মকর্তার উৎসাহে আমি এই প্রথম বাণিজ্যিক ভাবে কচুর চাষ শুরু করেছি। তা থেকে  আমি অনেক লাভবান  হয়েছি। এই সবজির আবাদটা পুরোটাই লাভজনক মনে হচ্ছে। কোন অংশটায় নষ্ট হয় না বা ফেলে দিতে হচ্ছে না। পরিবারের চাহিদাও পূরন করে হাট বাজারে বিক্রি করে আমি অনেক টা  লাভবান হচ্ছি। আমি আরো আগামীতে কচু চাষ বৃদ্ধি করবো।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শহীদুল ইসলাম বলেন বর্তমান সরকারের ভিশনকে বাস্তবায়ন করার প্রয়াস হিসেবে উপজেলার কৃষকদের একঘেয়েমী ধান চাষ থেকে ফিরিয়ে অধিক লাভজনক ফষল ও সবজি চাষের প্রতি আগ্রহী করার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করা। এই কচু দেশের উত্তর ও দক্ষিণ অঞ্চলের একটি লাভজনক ফসল। আমি নিজে উদ্যোগ নিয়ে পরীক্ষামূলক ভাবে কচুর চারা সংগ্রহ করে কিছু কৃষককে উদ্বুদ্ধ করে কচু চাষ শুরু করেছি। বর্তমানে কৃষকরা তাদের কচু তোলা শুরু করেছেন। এতে করে কৃষকরা কচু থেকে লাভ খুব ভালো পাচ্ছেন বলে জানা গেছে।
তিনি আরো বলেন একই জমিতে বিভিন্ন ধরনের ফসল চাষ করলে জমির উর্বরতা শক্তিও বৃদ্ধি পায়। কচু চাষে অনেক সুবিধা রয়েছে যেমন এই সবজি যে কোন জমিতে চাষ করা সম্ভব, সবজি হিসেবে বাজারে আদরে বিক্রির পাশাপাশি চারা হিসেবেও কচুর কান্ড বিক্রি করা যায় অথ্যাৎ এই কচুর সমস্ত টায় লাভজনক। যারা এই কচু চাষে আগ্রহী উঠছেন তাদেরকে আমি বলি আপনারা সবাই কৃষি অফিসের মাধ্যমে চারা সরবরাহ করুন৷ এবং সার্বিক সহযোগিতা গ্রহণ করুন৷