‘টাকা ফেরত চাই, নয়তো সীমাকে চাই’

Spread the love

মুঠোফোনে প্রেম বিয়ে করে প্রবাসী লতিফ ফকিরের লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে নাজির মোল্লা তার মেয়ে সীমার বিরুদ্ধেএদিকে টাকা হারিয়ে পাগল প্রায় প্রবাসী লতিফ ফকির তার বিধোবা মা হালিমা বেগমহয়তো টাকা ফেরত নয়তো সীমাকে ছেলের বউ হিসেবে তার ঘরে আসার দাবি জানিয়েছেন লতিফের বৃদ্ধ মা হালিমা বেগম

 

প্রতারণা শিকার কাতার প্রবাসী লতিফ ফকির বাগেরহাট মোল্লাহাট উপজেলার মৃত মো. জামিরের ছেলে

 

কাতার প্রবাসী লতিফ ফকির বলেন, ২০১৭ সালের শেষের দিকে আমার খালাতো ভাইয়ের স্ত্রী আসমা বেগমের মাধ্যমে গোপালগঞ্জ উপজেলার কাশিয়ানী উপজেলার ওড়াকান্দি ইউনিয়নের খাগড়াবাড়ি গ্রামের নাজির মোল্লার মেয়ে সীমার সাথে আমার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠেএরপর থেকে আমি নিয়মিত সীমার সাথে মুঠোফোনে কথা বলিএর মাঝে বিভিন্ন কারণ অকারণে সীমা তার পরিবারকে আমি কয়েক লক্ষ টাকা দেইএক পর্যায়ে সীমার সাথে আমার বিয়ের কথা হয়সেই অনুযায়ী সীমার বাড়িতে আমার মাসহ স্থানীয় কয়েকজন আত্মীয় মধ্যস্থতাকারী আসমা বেগমের উপস্থিতিতে মুঠোফোনে আমাদের বিয়ে হয়ওই এলাকার কাজী হেদায়েত হোসেন আমাদের বিয়ে পড়ান

 

বিয়ের আগে বিয়ের পরে সব মিলিয়ে আমি আমার স্ত্রী শশুরকে আট লাখ ৪৩ হাজার টাকা দিয়েছেএর মধ্যে সাড়ে চার লক্ষ টাকা ব্যাংকের মাধ্যমে আমার শশুর নাজির মোল্লার কাছে পাঠিয়েছিবিকাশের মাধ্যমে দুই লক্ষ ৫০ হাজার টাকা দিয়েছিআমার স্ত্রীকে মুঠোফোন আংটি বানানোর জন্য এক লক্ষ ৪৩ হাজার টাকা দিয়েছিকিন্তু মুঠোফোনে বিয়ে হওয়ার কয়েকদিন পরেই আমার স্ত্রী সীমা আমার সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়এখন সে আর আমার সাথে যোগাযোগ করে নাআমি ফোন দিলে আমাকে গালিগালাজ করেপ্রবাসে গায়ের রক্ত পানি করা টাকা আমার শশুর স্ত্রীকে দিয়েছিএখন সে আমার সাথে প্রতারণা করছেআমি টাকা ফেরত চাই, নয়তো সীমাকে চাই

 

লতিফ ফকিরের বৃদ্ধ মা হালিমা বেগম বলেন, আমরা ওই বাড়িতে গিয়ে সীমার সাথে আমার ছেলে কাতার প্রবাসী লতিফ ফকিরের বিয়ে দিয়েছিসীমা সীমার বাবা নাজির মোল্লাকে আমার সন্তান প্রায় সাড়ে আট লক্ষ টাকা দিয়েছেএখন তারা আমাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করছেআমি আমার ছেলের টাকা ছেলের বউকে ফেরত চাই

 

প্রতারণার বিষয়টি অস্বীকার করে সীমার বাবা নাজির মোল্লা বলেন, আমার মেয়ের সাথে লতিফ ফকিরের বিয়ের কথা চলছিলএই কথা চলাচলির সময় লতিফ আমার মেয়ের জন্য প্রায় ভরি ওজনের স্বর্ণালঙ্কার পাঠায়পরবর্তীতে বিয়ে না হওয়ায় আমরা সেই স্বর্ণালঙ্কার ফেরত দিয়ে দিয়েছি

 

মোল্লাহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী গোলাম কবির বলেন, প্রবাসী লতিফ ফকিরের মা হালিমা বেগম একটি লিখিত অভিযোগ নিয়ে আসছিলেনযেহেতু ঘটনাটি অন্য এলাকার, তারপরেও বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি